আসসালামু আলাইকুম প্রিয় টেকটিউনস কমিউনিটি। আমি মেহেদী। কেমন আছেন সবাই? আশা করি ভালো আছেন। চলুন কাজের কথায় আশা যাক।
আজকের বিষয়: জি-মেইল
যা যা থাকছে আজকের বিষয়েঃ
- 1. জি মেইল কেন দরকার?
- 2. জি মেইল থাকা কি খুব দরকার?
- 3. কেন জি মেইল ব্যবহার করব?
- 4. কি কি কাজে জি মেইল ব্যবহার করা যায়?
- 5. অন্য মেইল গুলোর চেয়ে গুগোলের জিমেইল কে এতো জনপ্রিয়?
বিস্তারিত আলোচনা ও একাউন্ট তৈরি করতে হয় কি ভাবে সে বিষয় নিয়ে ভিডিওঃ
ওকে চলুন এই প্রশ্ন গুলোর উত্তর খুজে বের করা যাক।
প্রশ্ন নং ০১
জি মেইল কেন দরকার?
উত্তরঃ
যে জন্য জি মেইল দরকার তা হল আপ্নি আধুনিক যুগের মানুষ। আপনি অনেক ধরণের অনলাইন বিষয়ক কাজে নিয়োজিত থাকেন। আপনাকে অবশ্যই অনেক ওয়েব সাইটে সাইন আপ করতে হয় আপনি যদি সেই ওয়েব সাইটের মেম্বার হতে চান।
এ ছাড়া অফিশিয়াল কাজে আপনাকে অবশ্যই ইমেল এর দরকার পড়বেই।
এ ছাড়া অফিশিয়াল কাজে আপনাকে অবশ্যই ইমেল এর দরকার পড়বেই।
এবার আসি প্রশ্ন ০২
একটি জি মেইল থাকা কি খুব জরুরি?
উত্তরঃ
হ্যাঁ, জরুরি, কেন না আধুনিক বিজ্ঞান প্রযুক্তির যুগের সাথে সবার তাল মিলিয়ে চলতে হয়। তা না হলে আপনি অনেক কিছু থেকে পিছিয়ে পড়বেন। যা আপনার নিজের উপর রাগের বা হিংসার কারিণ হতে পারে। বর্তমানে সবার কাছেই গুগোলের এন্ড্রয়েড চালিত অপারেটিং সিস্টেম আছে। আর জিমেল থাকা তো আবশ্যক। কেন না জি মেইল এর সাহায্যে আপনি আপনার এন্ড্রয়েড ডিভাইজের সাহায্যে প্লে স্টোর থেকে প্রয়োজনিয় এপস ডাউনলোড করতে পারবেন। এখানে অন্য কোনো মেইল গ্রহনীয় না। তাই আপনাকে জিমেইল থাকা অত্যান্ত জরুরি।
এবার আসি প্রশ্ন নং ০৩ এ।
কেন জি মেইল ব্যবহার করব?
উত্তরঃ
আপনি এখন গুগোল ও ফেইজবুকের জগতে বসবাস করছেন। তাহলে আপনাকে অবশ্যই জিমেইল একাউন্ট ক্রিয়েট করে সদস্য হতে হবে। তা না হলে আপনি গুগোলের কোনো সেবার মজা নিতে পারবেন না। গুগোলের জি মেইল হলো সবচেয়ে সুবিধা জনক একটা মেইল সেবা। এটা খুব নিরাপদ ভাবে কাজ করতে সহায়তা করে।
অনেক প্রাইভেসি পলেসি মেনে চলে অনেক গোপনীয়তাও বজায় রাখে। একাউন্টের নিরাপত্তা রক্ষায় অনেক কঠোর। অনেক বড় বড় ইঞ্জিনিয়ারদের নিয়ে গুগোল চালিত এই জিমেল সেবা প্রদান করে যাচ্ছে। ইউটিউব, ব্লগ, প্লেস্টোর, প্লেমিউজিক, প্লে সার্ভিস, প্লে গেমস, প্লে নিউজ সহ অনেক সাইট হতে আপনি বঞ্চিত হবেন। সে জন্য আপনাকে গুগোলের জিইল অথবা গুগোলএর সদস্যতা লাভ করতে হবে।
এবার আসি ০৪ নং এ
কি কি কাজে জি মেইল ব্যবহার করা যায়?
উত্তরঃ
কি কি করা যায় এটা তখনই বোঝা যায় ঝখন আপনি কোনো কাজ করার সময় বুঝবেন এখন আপনার একটা মেইল একাউন্ট এর দরকার। সব ধরণের একাউন্টের ভেরিফাই মেসেজ গুগোল মেইল এর ইনবক্স ও স্প্যাম বক্সে আসবে। ওখান থেকে আপনাকে ভেরিফাই করতে হবে। জি মেইল এর গুনাগুণ বলা যাবে না বলতে গেলে দম ফুঁড়িয়ে যাবে। তাই এক কথায় বলা যায় জি মেইল হলো সেরার সেরা।
এবার আসি ০৫ নং এ
অন্য মেইল গুলোর চেয়ে গুগোলের জিমেইল কে এতো জনপ্রিয়?
উত্তরঃ
কেন জনপ্রিয় হবে না আপনি নিজেই বলুন? আপনি যদি এক মেইল ক্রিয়েট করে সকল প্রকার সুবিধা ভোগ করতে পারেন তাহলে কেন অন্য মেইল এর কথা চিন্তা করবেন? হ্যাঁ, গুগোলের এক একাউন্ট দিয়ে সব সার্ভিস চালাতে পারবেন। তাহলে ভেবে দেখুন কেন জনপ্রিয় হবে। এবার চলুন দেখি কি ভাবে একটা জিমেইল একাউন্ট তৈরি করতে হয়ঃ গুগোল ক্রম থেকে ব্রাউজারে গিয়ে টাইপ করুন http://www.gamil.com এর পর দেখুন ভিডিওতে।
ভুল ত্রুটি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখাবেন। এখন বিদায় নিচ্ছি। দেখা হবে পরের টিউনে। ভালো থাকুন, সুস্থ্য থাকুন, মেতে থাকুন প্রযুক্তির সুরে।
প্রিয় পাঠক, সালাম নিবেন। আশা করি সবাই ভালো আছেন। টেকটিউনস-এ এটিই আমার প্রথম টিউন। টিউন টাইটেল থেকে নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন আমি কী নিয়ে লিখবো।
আমরা যারা কম বেশি অনলাইনের সাথে পরিচিত তাদের সবারই ব্যক্তিগত ইমেইল অ্যাকাউন্ট আছে। তাছাড়া বর্তমানে ইমেইল-এর প্রয়োজনীয়তা অনেক অনেক বেশি। তাই যাদের ইমেইল অ্যাকাউন্ট নাই তারাও ফ্রি ইমেইল সার্ভিস প্রোভাইডারদের (জি্মেইল, ইয়াহু, এম.এস.এস. ইত্যাদি) কাছ থেকে ফ্রি ইমেইল অ্যাকাউন্ট খুলছেন। কম্পিউটার ও ইন্টারনেট সম্পর্কে আমার একটু আধটু জ্ঞান থাকায় আমার পরিচিত অনেককেই ইমেইল অ্যাকাউন্ট খুলে দিতে হচ্ছে। তবে তাদের ৯৯%-এর-ই পছন্দ Yahoo মেইল। তাদেরকে যখনই আমি প্রশ্ন করেছি “কেন Yahoo-তে খুলবেন?” তাদের প্রায় সবারই একই উত্তর “তবে কিসে খুলবো?” তাদেরকে আমি সব সময়-ই Gmail এর পরামর্শ দিয়েছি। অবশ্য দেওয়ার পিছনে আমার ভিতরে কিছু লজিকও কাছ করতো। সেই লজিকগুলোই আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করতে চাই।
কারণসমূহ:
১. Gmail হলো অনলাইন সার্চ জায়ান্ট Google-এর একটি ফ্রি ইমেইল সার্ভিস।
২. অন্যান্য ইমেইল প্রোভাইডারদের থেকে Gmail তাড়াতাড়ি লোড হয়।
৩. Yahoo-এর মতো এতো বিরক্তিকর বিজ্ঞাপণ দেখায় না।
৪. এর ব্যাকগ্রাউন্ডসহ অন্যান্য ডিজাইন একদম সাদামাটা। যা চোখে আঘাত করে না।
৫. এটা আপনাকে দিচ্ছে ১০ জি.বি.-এরও বেশি মেমোরি স্পেস।
৬. আপনি সহজেই আপনার পছন্দ মতো Label তৈরি করে আপনার মেইলগুলো সাজিয়ে রাখতে পারবেন।
৭. Gmail আপনাকে দিচ্ছে Priority Inbox-এর সুবিধা। যা অটোমেটিক আপনার মেইল ইনবক্সে আসা গুরুত্বপূর্ণ মেইলগুলোকে এই ইনবক্সে রাখবে।
৮. জিমেইলে বিল্ট-ইন চ্যাট অপশনটি থাকায় আপনি এখান থেকেই লাইভ ভয়েজ এবং ভিডিও চ্যাট করতে পারবেন।
৯. এছাড়া জিমেইল থেকে আপনি ফ্রি এস.এম.এস. পাঠাতে পারবেন (তবে তা সব দেশ ও সব অপারেটরে এই মুহূর্তে সম্ভব নয়) ও নির্দিষ্ট রেটে বিভিন্ন দেশে কল করতে পারবেন।
এবার লিখছি আমার ব্যক্তিগত ইমেইল হিসেবে কেন আমি Gmail ব্যবহার করি।
অন্যতম কারণগুলো:
১. Gmail-এর Spam Filtering সিস্টেম অন্য সবার চেয়ে শক্তিশালী। যা আপনার ইনবক্সকে রাখবে বেশি পরিস্কার ও আপনাকে রাখবে একটু কর্মমুক্ত (কম মেইল ডিলিট করা) ও আপনার পি.সি.-কে একটু বেশি নিরাপদ।
২. Gmail আপনাকে দি্চ্ছে Two Step Verification Security System. যা আপনার ইমেইলের নিরাপত্তা দিবে আরও অনেক বেশি। (Two Step Verification Security System ব্যবহারে আমি এখনও লগইন করতে কোন সমস্যার সম্মুখিন হই নাই।)
৩. সর্বোপরি, একটি মাত্র Gmail অ্যাকাউন্ট থাকলে আপনি Google-এর প্রায় সব সার্ভিসগুলোই নিতে পারবেন শুধুমাত্র access দিয়ে কোনরূপ নতুন সাইন আপ ছাড়াই।
এই সকল কারণেই আমি মূলত আমার ব্যক্তিগত ইমেইল হিসেবে Gmail ব্যবহার করে থাকি।
টিউনটি আরও প্রকাশ হয়েছে Blogger Zia
Subscribe to:
Posts (Atom)